প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ
লীলাভূমি কক্সবাজার জেলা । পাহাড়, পর্বত, ঝর্ণা সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য
দিয়ে ঘেরা এই জেলাটি । এই জেলার চকরিয়া উপজেলাতেই ডুলাহাজরা সাফারী পার্ক । এটি
১৯৮০-৮১ সালে হরিন প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে চালু হয়েছিল । বর্তমানে এটি জীব বৈচিত্র্য
সংরক্ষণের জন্য নানা রকম বন্য প্রাণীর নির্ভয় আবাসস্থল এবং ইকো-ট্যুরিজম ও গবেষণার পাশাপাশি বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত
হয়েছে । এর আয়তন ৯০০ হেক্টর ।
কিভাবে যাবেন
- কক্সবাজার শহর থেকে বাসে
করে সাফারী পার্ক যেতে পারেন ।
কোথায় থাকবেন
- কক্সবাজারশহরের যেকোনো
হোটেলেই থাকতে পারেন ।
এই পার্কে প্রবেশ ফি
- সর্ব
সাধারনের জন্য
প্রবেশ
ফিঃ
১০
টাকা
- ছাত্র- ছাত্রীদেরজন্যপ্রবেশফিঃ৫টাকা
- বিদেশীদের জন্য প্রবেশ ফিঃ
৫
টাকা
কি আছে এই সাফারী পার্কে?
প্রাকৃতিক শোভামণ্ডিত নির্জন উঁচু নিচু টিলা,
প্রবাহমান হ্রদ, ঐতিহ্যবাহী প্রাকৃতিক বৃক্ষ চিরসবুজ বনের জানা-অজানা গাছ গাছালি,
ফল-ভেষজ উদ্ভিদ। লতার অপূর্ব উদ্ভিদের সমাহার ও ঘন আচ্ছাদনে গড়ে উঠেছে এই সাফারী
পার্ক । এর ছায়া ঘেরা পথ, সবুজ বনানী, জানা-অজানা গাছের সারি, পাখি আর বানরের
কিচিরমিচির সবকিছু মিলিয়ে যেন এক অসাধারণ অনুভুতি । পথের ধারে উঁচু ওয়াচ টাওয়ারে
দাঁড়িয়ে আপনি দেখতে পাবেন পুরো পার্কের সীমানা পর্যন্ত অপার সৌন্দর্য । পার্কের
চারদিকে বেষ্টনী রয়েছে যাতে বন্য প্রানি পার্কের বাইরে যেতে না পারে । পার্কের
ভিতরেও অভ্যন্তরীণ বেষ্টনীও রয়েছে । অভ্যন্তরীণ বেষ্টনীর ভিতরে বাঘ, সিংহ ও
তৃণভোজী প্রাণী প্রাকৃতিক পরিবেশে বসবাস করে । শুধু তাই নয় পুরো পার্কে দেখতে
পাবেন বিভিন্ন প্রাণীর ভাস্কর্য যা আপনাকে মুগ্ধ করবে ।
সাফারী পার্ক সম্পর্কে অতি অল্প সময়ে এক পলকে
এর বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান সম্পর্কে ধারনার জন্য রয়েছে প্রধান ফটকের বাম পাশে
ডিসপ্লে ম্যাপ । পর্যটকরা যাতে পার্কের ভিতরে অনাসয়ে ঘুরে বেড়াতে পারে সেজন্য
পার্কের ভিতরে রয়েছে বাঘ-সিংহসহ অন্যান্য প্রাণী পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও প্রহরা পোস্ট
। এখানে পার্কের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে, আপনি চাইলে বাসে করে ঘুরে ঘুরে
পুরো পার্কটি দেখতে পারেন। বাম পাশের রাস্তা ধরে হাটা শুরু করলে পুরো পার্কটি
ঘুরে আপনি অনাসয়েই ডান পাশের রাস্তা দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারবেন ।
No comments:
Post a Comment