কক্সবাজার থেকে উত্তর-পশ্চিমে ও মহেশখালী দ্বীপের দক্ষিণে সোনাদিয়া দ্বিপটি
অবস্থিত । একটি খাল দ্বারা এটি মহেশখালী দ্বীপ থেকে বিছিন্ন হয়েছে। মহেশখালী থেকে সোনাদিয়া দ্বীপ যাওয়ার পথের সবকিছুই মনে হবে যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা কোনো এক অকৃত্রিম ছবি চোখের সামনে ভাসছে । এ দৃশ্য যেন কোনোদিনই ভোলার মত নয় ।
কিভাবে
যাবেন
- মহেশখালী দ্বীপ থেকে যেকোনো নৌযানে করে সোনাদিয়া দ্বীপে যেতে পারবেন ।
কোথায় থাকবেন
- সোনাদিয়া দ্বীপে পর্যটকদের থাকার জন্য কোন আবাসিক হোটেল নেই। খাওয়ারও তেমন কোন নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই । এখানে সাধারনত স্থানীয় লোকজনকে টাকা দিলেই তারা খাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে । আর রাত্রি যাপনের জন্য একমাত্র ভরসা কেবল সেই স্থানীয় বাসিন্দারাই ।
তবে রাতে থাকার কষ্টের কথা চিন্তা করে যারা সূর্যোদয়ের আগেই ফিরে আসবেন তারা সোনাদিয়া দ্বীপের আসল সৌন্দর্য অবলোকন থেকে বঞ্ছিত হবেন।
কি আছে এই দ্বীপে?
এই দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গকিলোমিটার । ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বনের সমন্বয়ে গঠিত এই
দ্বিপটি।
সাগরের গাঢ় নীল জল, লাল কাঁকড়া, কেয়া বন, সামুদ্রিক পাখি সব মিলিয়ে এক ধরনের রোমাঞ্চিত পরিবেশ সবসময় বিরাজ করে এই দ্বীপে ।
এখানকার খালের পানি এতটাই স্বচ্ছ ও টলমলে দেখে মনে হবে যেন কোনো কাচের উপর দিয়ে
নৌযানটি এগিয়ে যাচ্ছে। যা দেখলে শত বছরের দুঃখ-কষ্ট এক নিমিষেই ভুলে যেতে বাধ্য ।
সমুদ্র থেকে সৃষ্টি হয়ে ভিতরের দিকে গিয়ে খালটি কয়েকটি শাখা প্রশাখায় বিভক্ত হয়ে
অনেক দূর পর্যন্ত প্রবাহিত হয়েছে । খালের দু-পাশে সবুজ বন । এসব বনে রয়েছে কেওড়া,
হারগোজা, উড়িঘাস এবং কালো ও সাদা বাইন গাছ ।For English Language you can visit : Beautiful Places in Bangladesh
--------***--------

No comments:
Post a Comment